মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং দমনে পুলিশ-জনগণকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: আইজিপি

প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম
মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং দমনে পুলিশ-জনগণকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: আইজিপি

ছবি: বিডি মেইল

প্রিন্স মন্ডল অলিফ, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি


মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএম।


রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বাগেরহাট জেলা পুলিশ লাইন্সে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম।


আইজিপি বলেন, ‘পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ’—এই ধারণাকে সামনে রেখে পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অপরাধমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।


তিনি বলেন, মাদক নির্মূল, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাইবার অপরাধ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।


আধুনিক ও জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং পুলিশ-জনগণের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন আইজিপি। তিনি বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত ও সহজে মানুষের কাছে পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ পুলিশ কাজ করছে। বৈষম্যহীন, মাদকমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।


সভাপতির বক্তব্যে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিরাপদ বাংলাদেশ এবং শান্তিপূর্ণ ও বাসযোগ্য বাগেরহাট গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় অপরাধ প্রতিরোধ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশ নেন আইজিপি। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখা এবং কিশোর গ্যাংসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।


এর আগে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে বাগেরহাট পুলিশ লাইন্সে পৌঁছালে আইজিপিকে পুলিশের একটি চৌকস দল আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে তিনি সেখানে বৃক্ষরোপণ করেন।


সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্যরা।


এমকে/বিএম২৪