গুরুদাসপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম
গুরুদাসপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

সংগৃহীত

মো. আব্দুর রউফ, গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি


দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম প্রস্তুতি ও জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে নাটোরের গুরুদাসপুরে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬। ‘ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালি, দুর্যোগ মোকাবিলার মহড়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর–বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. আব্দুল আজিজের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর পরিবর্তে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক মো. মাহামুদুজ্জামান সোহাগ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ।


দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিতে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, জানমালের ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধ এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। পরে দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক মহড়া প্রদর্শন করা হয়। এতে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়া, জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমানোর বিভিন্ন কৌশল দেখানো হয়।


আয়োজকেরা বলেন, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত প্রস্তুতি জরুরি। সঠিক সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা গেলে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। এ জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম, প্রকৌশলী মিলন মিয়া, সহকারী প্রকৌশলী সাইদুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম আক্তার, উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আমিনুর রশিদ, উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ সদস্য মো. ইসরাফিল শেখ, সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. সেলিম শাহসহ উপজেলা পরিষদের কর্মচারী, ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় ব্যক্তিরা।


দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতাই সুরক্ষার প্রথম ধাপ। পরিবার থেকে প্রস্তুতি শুরু করে ব্যক্তি ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।


এমকে/বিডিমেইল২৪