মানবতার ফেরিওয়ালা বিমানবন্দর রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ হারুন উর রশিদ
এ আর সুমন:
ঢাকার বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের পরিচিত এক মানবিক মুখ,বিমানবন্দর রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ হারুন উর রশিদ পি পি এম। ২০,১১,২০২৫ সালে তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই স্টেশনের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, হারুন উর রশিদ পি পি এম তিনি দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে স্টেশনের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অবৈধ যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিভিন্ন সেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
তার মানবিক দৃষ্টান্তগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনাটি ঘটে ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে। নোয়াখালী থেকে অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে আসা এক কিশোর ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছায়। দায়িত্বরত জিআরপি পুলিশের নজরে পড়লে দ্রুত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়। পরে কিশোরের মামা এসে তাকে নিরাপদে বাড়িতে নিয়ে যান।
এর পরদিন, ২০ এপ্রিল ২০২৬, দুপুরে দিকে দুইজন এসএসসি পরীক্ষার্থী ভুলবশত চট্টগ্রামগামী ট্রেনে উঠে পড়ে। বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে একজনের হাত ভেঙে যায় এবং অপরজনের পায়ের গোড়ালি মচকে যায়।
স্টেশনে দায়িত্বরত রেলওয়ে পুলিশ দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। এ সময় ইনচার্জ হারুন অর রশিদ তাৎক্ষণিকভাবে নিজের অর্থায়নে আহত দুই শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং তাদেরকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।
মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও সেবার মানসিকতার কারণে হারুন অর রশিদ আজ বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের মানবতার ফেরিওয়ালা এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।









