জনসেবার প্রত্যয়ে লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহা
সংগৃহীত
মোঃ শরীফ উদ্দিন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৭নং লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহা। শিক্ষা, নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে একটি আধুনিক, শিক্ষাবান্ধব ও উন্নত ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহা সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের নীলপুর গ্রামের বাসিন্দা। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি সমাজসেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করছেন তিনি। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, অসহায় মানুষের সহযোগিতা করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখাকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে দেখেন।
তার প্রচারপত্রে লক্ষণশ্রী ইউনিয়নকে পরিচ্ছন্ন, শিক্ষাবান্ধব, মাদকমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত, পরামর্শ ও সহযোগিতাকে গুরুত্ব দিতে চান তিনি।
তার ঘোষিত উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোর উন্নয়ন, গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার সম্প্রসারণ, ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জলাবদ্ধতা নিরসন। পাশাপাশি শিক্ষা ও নৈতিকতার প্রসার, মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
নারীদের স্বাবলম্বী করতে সেলাই ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য সহজলভ্য সেবা নিশ্চিত করা এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে চান সম্ভাব্য এই প্রার্থী। একই সঙ্গে কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহার শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে ক্বিরাআত, দাওরায়ে হাদিস ও ইফতা বিষয়ে ধর্মীয় শিক্ষা। তার প্রচারপত্রে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের তথ্যও উল্লেখ রয়েছে।
তিনি মনে করেন, একটি ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়নে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি প্রয়োজন সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, মানবিক মূল্যবোধ এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ। এ কারণে জনগণের আস্থা অর্জন ও তাদের প্রত্যাশা পূরণকে সামনে রেখে কাজ করতে চান তিনি।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহার পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা নির্ভর করবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া, জনগণের মতামত ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ওপর। তবে তার ঘোষিত পরিকল্পনায় শিক্ষা, সামাজিক সম্প্রীতি, জনসেবা ও স্থানীয় অবকাঠামোর উন্নয়ন বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
এমকে/বিএম২৪









