রাঙামাটিতে নির্বিঘ্ন দুর্গাপূজা উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মতবিনিময়
সংগৃহীত
চাই সুই উ মারমা, রাঙামাটি প্রতিনিধি
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপন, নিরাপত্তা জোরদার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে রাঙামাটিতে পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কার্যকরী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার আব্দুল রকিব। সভায় আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের পাশাপাশি জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কার্যকরী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ, সহসভাপতি নব জ্যোতি খীসা, সাধারণ সম্পাদক রনেল চাকমা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাকসুদা হক, কার্যকরী কমিটির সদস্য মো. নুরুজ্জামানসহ কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সভায় অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ বলেন, দুর্গাপূজাকে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন করতে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাই যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্যদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, রাঙামাটির সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এ জেলার অন্যতম শক্তি। এ ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখতে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ঐক্য বজায় রাখতে হবে। কোথাও গুজব, উসকানি কিংবা সন্দেহজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় অপরাধ দমনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে তথ্য আদান-প্রদান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে রাঙামাটিতে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করা সম্ভব হবে।
এমকে/বিডিমেইল২৪









