ইনোভেশন ফেয়ারে নজর কাড়ল যবিপ্রবি অধ্যাপক জাভেদের ‘ন্যানো ইউরিয়া’

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৭ পিএম
ইনোভেশন ফেয়ারে নজর কাড়ল যবিপ্রবি অধ্যাপক জাভেদের ‘ন্যানো ইউরিয়া’

সূত্রঃ সংগৃহীত

যবিপ্রবি প্রতিনিধি, সাকিবুল ইসলাম


কৃষি খাতে উৎপাদন খরচ কমানো ও টেকসই প্রযুক্তির প্রসারে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উদ্ভাবিত ‘ন্যানো ইউরিয়া’ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এ দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে।


শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও মেলা পরিদর্শন পর্বে যবিপ্রবির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খানের উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়া বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।


মেলায় যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইয়ারুল কবীরের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। এ সময় অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান তার উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়ার বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ব্যবহার ও কার্যকারিতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।


অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান বলেন, ২০১৯ সালে উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তি দেশের সারসংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ন্যানো ফার্টিলাইজারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার পাশাপাশি উদ্ভাবনটি দ্রুত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সরকারি উদ্যোগের প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।


তিনি বলেন, উদ্ভাবনটিকে অত্যন্ত চমৎকার উদ্যোগ ও দেশীয় পণ্য হিসেবে প্রশংসা করা হয়েছে। পাশাপাশি ল্যাবরেটরিতে উদ্ভাবিত প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে নেওয়ার ক্ষেত্রেও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার প্রয়োজন রয়েছে।


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে প্রচলিত ইউরিয়া সারের বড় অংশ আমদানিনির্ভর হওয়ায় এর পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। এর বিপরীতে দেশীয় প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়া তুলনামূলক কম খরচে উৎপাদন করা সম্ভব হলে কৃষি খাতে ব্যয় কমানোর পাশাপাশি সারের ওপর আমদানিনির্ভরতা কমানো সম্ভব হতে পারে।


যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইয়ারুল কবীর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলোকে শিল্প পর্যায়ে নিয়ে যেতে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন। ল্যাবে উদ্ভাবিত পণ্য যাতে বাণিজ্যিক উৎপাদনের মাধ্যমে সরাসরি বাজারে পৌঁছাতে পারে, সে বিষয়ে সরকারের জোরালো ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তিনি।


যবিপ্রবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গবেষণালব্ধ এ প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণ সম্ভব হলে দেশের কৃষি খাতে উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি দেশীয় উদ্ভাবনের ব্যবহার আরও বাড়বে।