৬ বছরে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে যত স্বর্ণ ও রুপা মিলল

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম
৬ বছরে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে যত স্বর্ণ ও রুপা মিলল

সংগৃহীত

মাহ্ফুজুল হক, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি


কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে গত প্রায় ছয় বছরে জমা পড়েছে ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপার অলংকার। এ ছাড়া পাওয়া গেছে বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা।


সোমবার (১২ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ওজন নির্ধারণ ও গণনার কার্যক্রম শুরু হয়।


এদিন ট্রেজারিতে সংরক্ষিত নয়টি মাঝারি আকারের প্লাস্টিকের কনটেইনার ও ছয়টি সিলগালা করা খাম খুলে এসব মূল্যবান সামগ্রী গণনা করা হয়। পাশাপাশি স্বর্ণের ক্যারেট যাচাই এবং বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পৃথক করার কাজও চলছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের ওজন নির্ধারণের পর বাজারমূল্য নিরূপণ করে নিলামে বিক্রি করা হবে। অন্যদিকে, বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।


সোমবার বিকেলে রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেসী জানান, বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা গণনার কাজ শেষ হতে রাত ৮টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।


এর আগে, ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে জমা হওয়া ৪১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১৮৪ ভরি রুপা নিলামে ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল। সে সময় অলংকারগুলো পাঁচটি ভাগে ভাগ করে নিলামে তোলা হয়। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় করে পাওয়া যায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা।


দানবাক্স থেকে পাওয়া নগদ অর্থ রূপালী ব্যাংকে জমা রাখা হয়। আর স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের মূল্য নির্ধারণের পর নিলামের মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।


এমকে/বিএম২৪