দ্মার ভাঙনে বিপর্যস্ত শরীয়তপুর, ঝুঁকিতে বাজার-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
দ্মার ভাঙনে বিপর্যস্ত শরীয়তপুর, ঝুঁকিতে বাজার-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সংগৃহীত

রবিউল মোল্লা, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি


শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ ও নড়িয়া উপজেলায় পদ্মা নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে কৃষিজমি, বসতভিটা ও বিভিন্ন স্থাপনা। ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অসংখ্য বসতবাড়ি। এতে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাচিকাটা ইউনিয়ন এবং নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর এলাকায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। কাচিকাটা বাজার, স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বহু বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। অন্যদিকে সুরেশ্বরের ঐতিহ্যবাহী মাছবাজারও রয়েছে ঝুঁকিতে।


স্থানীয়রা জানান, কাচিকাটা এলাকায় পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে প্রতিনিয়ত কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। নদী ক্রমেই লোকালয়ের দিকে এগিয়ে আসায় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে। ভাঙন থেকে বসতভিটা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।


এদিকে সুরেশ্বর এলাকায় পদ্মার ডান তীররক্ষা বাঁধেও ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে বাঁধের ৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এর পাশের আরও প্রায় ৩০০ মিটার এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ইতোমধ্যে অন্তত ২০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিল্টন হোসেন বলেন, নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে কিছু এলাকায় তলদেশের মাটি সরে যাচ্ছে। এর ফলে তীররক্ষা বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে।


তিনি আরও জানান, কাচিকাটা এলাকায় ৩০০ মিটার অংশে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে। নদীভাঙন রোধে একটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পরিকল্পনাটি অনুমোদন পেলে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করা হবে।


এমকে/বিএম২৪