৬৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ
সূত্রঃ সংগৃহীত
স্পোর্টস ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে ৫৪ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটের ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছিল দলটি। তবে ম্যাকাই টেস্টে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে গেছে সফরকারীদের প্রথম ইনিংস।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাদমান ইসলামকে ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচে ফেরান স্টার্ক। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তকে টানা দুই বলে আউট করেন এই বাঁহাতি পেসার। প্রথম তিন ব্যাটারই কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন।
এরপর মুমিনুল হককে ৯ রানে এবং লিটন দাসকে শূন্য রানে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন স্টার্ক। মাত্র ৬.৪ ওভারে ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। এই সময়ে ৪ ওভার বল করে তিনটি মেডেনসহ মাত্র ৪ রান দেন স্টার্ক।
মুশফিকুর রহিম ৪২ বলে ৫ রান করে ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে আউট হলে ২১ রানেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তাদের জুটিতে লাঞ্চ পর্যন্ত পৌঁছালেও বাংলাদেশের রান ছিল মাত্র ৩৫, ৬ উইকেট হারিয়ে।
দ্বিতীয় সেশনে প্যাট কামিন্স ভাঙেন এই জুটি। মিরাজ ১১ রান করে বেউ ওয়েবস্টারের ক্যাচ হন। পরের ওভারে জশ হ্যাজেলউডের বলে ১০ রানে আউট হন হাসান মাহমুদ। এরপর তাসকিন আহমেদকে ১ রানে ফিরিয়ে দেন কামিন্স।
৩৯ রানে নবম উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশের সামনে নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৪৩ রানে অলআউট হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। তবে তাইজুল ইসলাম হ্যাজেলউডের ওভারের শেষ বলে চার মেরে সেই লজ্জা এড়ান।
শেষ দিকে শরিফুল ইসলাম ১৪ রান করে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর করেন। তাইজুলের সঙ্গে তার ২৫ রানের জুটি বাংলাদেশকে ৬৪ রানে পৌঁছাতে সহায়তা করে। শরিফুলকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ করেন স্টার্ক।
মাত্র ১০ ওভারে ১২ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন স্টার্ক। এই ইনিংসটি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।
বাংলাদেশ একাদশ: সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: ট্রাভিস হেড, ম্যাট রেনশ, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বেউ ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজেলউড।
এমকে/বিএম২৪









