নাসিরনগরে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের মোবাইল ছিনতাই, ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগ
সংগৃহীত
খ ম জায়েদ হোসেন, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা এলাকায় ৩৯ শতাংশ বসতভিটার জমি নিয়ে একটি হিন্দু ও একটি মুসলিম পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আদালতের তিন মাসের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাত্র এক মাস ১৩ দিন পার হতেই হিন্দু পরিবারটির ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সাংবাদিক মো. আব্দুল হান্নানের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং ধারণ করা ভিডিওসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে আফজাল নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
সাংবাদিক আব্দুল হান্নান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ ঘটনার বর্ণনা দেন। পরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গতকাল নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনি এ ঘটনার শিকার হন।
সাংবাদিকের অভিযোগ, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বক্তব্য ধারণ করেন। পরে জমি বিরোধের বিষয়ে এক মুসলিম ব্যক্তির বক্তব্য ভিডিওতে ধারণ করার সময় আফজাল নামের এক ব্যক্তি হঠাৎ তাঁর হাত থেকে মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন।
এ সময় ওই ব্যক্তি তাঁকে ভিডিও ধারণের অনুমতি কে দিয়েছেন, কেন সেখানে গেছেন এবং কে তাঁকে পাঠিয়েছেন—এমন নানা প্রশ্ন করেন বলে অভিযোগ করেন আব্দুল হান্নান।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন শিক্ষক, একজন মাদ্রাসাশিক্ষক ও তাঁর এক বন্ধুর অনুরোধে পরে মোবাইল ফোনটি ফেরত পান। তবে ফোনটি ফেরত পাওয়ার পর তাতে সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ ভিডিওসহ কিছু তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া স্ট্যাটাসে সাংবাদিক আব্দুল হান্নান লেখেন, “আজকের খবরের শিরোনাম হতে হতো আমাকে। যাক, মহান রব আমাকে রক্ষা করেছেন।”
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার ইন্সপেক্টর কৃষ্ণনলাল ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। তাই বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওসি ছুটিতে আছেন, বর্তমানে আমি দায়িত্বে রয়েছি।”
এমকে/বিএম২৪









